GLOBAL VISA SOLUTIONS · SEOUL & DHAKAক্লায়েন্ট হিসেবে নিবন্ধন করুন ↗
GVSGLOBAL VISASOLUTIONSপরামর্শ নিন

বিশ্বজুড়ে সম্ভাবনা · প্রয়োজনমতো পরামর্শ

EB-3 মেডিকেল পরীক্ষা: সময়, পরিবারের নথি ও সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি

EB-3 সাক্ষাৎকারের আগে মেডিকেল কখন করাবেন, অনুমোদিত চিকিৎসক কীভাবে খুঁজবেন এবং পরিবারের নথি, টিকা ও রিপোর্ট কীভাবে গুছিয়ে রাখবেন, জানুন।

EB-3 মেডিকেল পরীক্ষা: সময়, পরিবারের নথি ও সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি

প্রতীকী চিত্র: ভিসার মেডিকেল পরীক্ষার নথি প্রস্তুতি।

EB-3 সাক্ষাৎকারের চিঠি পাওয়ার পর অনেকের প্রথম প্রশ্ন হয়, মেডিকেল পরীক্ষা কখন করাব, আর পরিবারের সবাইকে কী কী নিতে হবে? শুরু করুন যে দূতাবাসে সাক্ষাৎকার হবে, তাদের নির্দেশনা দিয়ে। পরিচিত হাসপাতালের সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা আর অভিবাসী ভিসার নির্ধারিত মেডিকেল পরীক্ষা এক জিনিস নয়। আগে কোনো পরীক্ষা করানো থাকলেই এই ধাপ শেষ হয়েছে ধরে নেওয়া যাবে না।

মূল কাজ তিনটি: অনুমোদিত চিকিৎসক বেছে নেওয়া, প্রত্যেক আবেদনকারীর নথি গুছিয়ে রাখা এবং সাক্ষাৎকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষা করানো। মেডিকেল শেষ হওয়া মানে ভিসা অনুমোদন নয়। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে দূতাবাসের মাধ্যমে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে I-485 আবেদনের মেডিকেল পরীক্ষার নিয়ম এই লেখার বিষয় নয়।

১. নথি আগে গুছিয়ে রাখুন, পরীক্ষা করান সঠিক সময়ে

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশনা হলো, সাক্ষাৎকারের তারিখ নির্ধারিত হওয়ার আগে ভিসার মেডিকেল পরীক্ষা করাবেন না। নথি সংগ্রহ করে রাখা আর পরীক্ষা করিয়ে ফেলা আলাদা কাজ। দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে করতে মনে হতে পারে, সম্ভব হলে সব কাজ আগেই শেষ করে রাখি। কিন্তু মেডিকেলের সময় ঠিক করার ক্ষেত্রে শুধু এই ভাবনা অনুসরণ করা উচিত নয়।

অপেক্ষার সময় টিকার পুরোনো কাগজ খুঁজতে পারেন, পাসপোর্টের সঙ্গে নাম মিলিয়ে দেখতে পারেন এবং চিকিৎসককে করার প্রশ্ন লিখে রাখতে পারেন। সাক্ষাৎকারের চিঠি এলে আগে পুরো নির্দেশনা পড়ুন, তারপর হাসপাতাল ও তারিখ ঠিক করুন। পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীদের কাছেও চিঠির সম্পূর্ণ কপি রাখুন। কারও পাঠানো অসম্পূর্ণ স্ক্রিনশটের ওপর নির্ভর করলে প্রয়োজনীয় তথ্য বাদ পড়ে যেতে পারে।

অন্য কারও অভিজ্ঞতা শুনে নিজের জন্য পরীক্ষার দিন ঠিক করবেন না। হাসপাতালের সময়, বাড়তি পরীক্ষা এবং সাক্ষাৎকারের স্থান আলাদা হতে পারে। আপনার নির্ধারিত সাক্ষাৎকারের সঙ্গে মিলিয়ে অনুমোদিত হাসপাতালকে জিজ্ঞেস করুন কখন গেলে উপযুক্ত হবে। সময় না পাওয়া গেলে তাদের ও দূতাবাসের নির্দেশনা অনুসরণ করুন। দেরিতে রিপোর্ট গেলেও সমস্যা হবে না, এমন অনুমান করবেন না।

২. দূতাবাসের নির্দেশনা থেকে অনুমোদিত হাসপাতাল নিশ্চিত করুন

বিদেশে অভিবাসী ভিসার মেডিকেল পরীক্ষা করতে হয় দূতাবাসের অনুমোদিত panel physician-এর কাছে। এই চিকিৎসকই ভিসার নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। আপনার নিয়মিত চিকিৎসক পুরোনো চিকিৎসার তথ্য দিতে পারেন, কিন্তু তাঁর সাধারণ রিপোর্ট এই পরীক্ষার বিকল্প নয়। কোনো হাসপাতালের বিজ্ঞাপনে ভিসার মেডিকেল লেখা থাকলেই সেটি আপনার সাক্ষাৎকারের জন্য অনুমোদিত, এমন ধরে নেবেন না।

পররাষ্ট্র দপ্তরের interview preparation পৃষ্ঠা থেকে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সরকারি নির্দেশনায় যান। দেশ ও শহরের নাম ভালো করে দেখুন। বাংলাদেশের নাগরিক হলেও সাক্ষাৎকার সিউলে হলে সিউলের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। ঢাকায় সাক্ষাৎকার হলে ঢাকার নির্দেশনা দেখবেন। এক জায়গার হাসপাতালের ঠিকানা আর অন্য জায়গার কাগজপত্রের তালিকা মিলিয়ে ব্যবহার করলে বিভ্রান্তি হতে পারে।

টাকা দেওয়ার আগে বুকিংয়ের পদ্ধতি, পরিচয়পত্র, পেমেন্ট ও উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা নিশ্চিত করুন। এই লেখায় নির্দিষ্ট হাসপাতালের ফি বা রিপোর্ট পাওয়ার নির্দিষ্ট সময় বলা হচ্ছে না। এগুলো বর্তমান অনুমোদিত হাসপাতাল থেকেই জেনে নিন। বুকিংয়ের নিশ্চিতকরণ এবং যে নির্দেশনা দেখে বুকিং করেছেন, তা রাখুন। সঙ্গে কবে তথ্যটি দেখেছেন সেই তারিখ লিখলে পরে তুলনা করা সহজ হবে।

৩. পরিবারের প্রত্যেকের জন্য আলাদা ফোল্ডার করুন

যাঁরা অভিবাসী ভিসার আবেদন করছেন, তাঁদের প্রত্যেকের নির্ধারিত মেডিকেল পরীক্ষা প্রয়োজন। সঙ্গে যাওয়া শিশুরাও এর মধ্যে পড়ে। মা বা বাবার পরীক্ষা হয়ে গেলে শিশুর কাজও শেষ, এমন নয়। প্রত্যেকের কাগজ আলাদা রাখলে কার কোন নথি আছে এবং কী সংগ্রহ করা বাকি, তা সহজে বোঝা যায়। একই খামে সব রাখলে প্রয়োজনের সময় খুঁজতে সমস্যা হতে পারে।

নিজের তৈরি ফোল্ডারের নাম পাসপোর্ট অনুযায়ী লিখুন। সাক্ষাৎকারের তথ্য, হাসপাতালের চাওয়া পরিচয়পত্র এবং পাওয়া যায় এমন টিকার নথি একসঙ্গে রাখুন। আপনার পরিস্থিতিতে অন্য কোনো কাগজ লাগবে কি না হাসপাতালকে জিজ্ঞেস করুন। চলতি ওষুধ ও প্রাসঙ্গিক চিকিৎসার একটি ছোট তালিকা নিজের কথা ঠিকভাবে বলতে সাহায্য করতে পারে। তবে এটি হাসপাতালের নির্ধারিত তালিকার বিকল্প নয়।

বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে স্ক্যান বা ফটোকপি পড়া যাচ্ছে কি না দেখুন। যেখানে মূল কাগজ চাওয়া হয়েছে, সেখানে মূল কাগজ সঙ্গে রাখুন। নামের বানানে পার্থক্য থাকলে বা কাগজের ভাষা হাসপাতাল বুঝতে না পারলে কী ব্যাখ্যা বা অনুবাদ লাগবে, তা জেনে নিন। নাম মেলানোর জন্য নিজে থেকে চিকিৎসার নথি বদলে দেবেন না। ভুল থাকলে যে প্রতিষ্ঠান নথি দিয়েছে, তাদের সঙ্গে কথা বলুন।

বাংলাদেশ ও কোরিয়ায় আলাদা সময়ে চিকিৎসা বা টিকা নেওয়া থাকলে নথি দুই জায়গায় থাকতে পারে। সাক্ষাৎকারের চিঠি আসার আগেই সেগুলো কোথা থেকে পাওয়া যাবে খোঁজ নিতে পারেন। এখানে কাজটি হলো আসল তথ্য উদ্ধার করা, হারানো তথ্য অনুমান করা নয়। প্রতিটি কাগজ কোন প্রতিষ্ঠান দিয়েছে তা লিখে রাখুন। পরে প্রশ্ন এলে সঠিক জায়গায় যোগাযোগ করতে সুবিধা হবে।

৪. টিকার প্রয়োজন চিকিৎসককে নির্ধারণ করতে দিন

যতটুকু আসল টিকার ইতিহাস পাওয়া যায়, সঙ্গে নিন। আপনার বয়স, আগের টিকার নথি ও স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি দেখে panel physician প্রয়োজনীয় বিষয় নির্ধারণ করবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তালিকা দেখে একসঙ্গে অনেক টিকা নেওয়ার প্যাকেজ কিনবেন না। পরিবারের একজনকে যে টিকা নিতে বলা হয়েছে, বাকিদেরও ঠিক সেটিই লাগবে, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়। প্রত্যেকের মূল্যায়ন আলাদা।

নথি না থাকলে চিকিৎসককে স্পষ্ট করে বলুন। পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, তখন কী প্রয়োজন তা নির্ধারণে panel physician আবেদনকারীকে সহায়তা করবেন। কাগজ না পাওয়ায় টিকা নেওয়ার তারিখ বানিয়ে লেখা যাবে না। যে টিকা নেওয়া হয়নি, তার সনদও সংগ্রহ করা যাবে না। আসল তথ্য অসম্পূর্ণ থাকলে সেটি যেমন আছে তেমনভাবে জানানোই সঠিক পথ।

গর্ভাবস্থা, আগের কোনো প্রতিক্রিয়া, চলমান চিকিৎসা বা অতিরিক্ত রিপোর্টের প্রয়োজন নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সরাসরি হাসপাতালকে জানান। কোন পরীক্ষা বা টিকা আপনার জন্য চিকিৎসাগতভাবে উপযুক্ত, তা কোনো কনসালট্যান্ট ঠিক করবেন না। এই ভিসার পরীক্ষা নিয়মিত চিকিৎসার বিকল্পও নয়। নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সমস্যা থাকলে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন; ভিসার পরীক্ষা হয়েছে বলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বাদ দেবেন না।

৫. রিপোর্ট, মেয়াদ ও ভ্রমণের পরিকল্পনা বুঝে নিন

ব্যবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসক রিপোর্ট সরাসরি দূতাবাসে পাঠাতে পারেন, অথবা সিল করা খাম দিতে পারেন। সাক্ষাৎকারে নেওয়ার জন্য সিল করা খাম পেলে সেটি খুলবেন না। কীভাবে জমা দিতে হবে সেই নির্দেশনা মেনে চলুন। কোন কাগজ নিজের কাছে রাখবেন আর কোনটি দূতাবাসের জন্য, তা হাসপাতাল থেকেই বুঝে নিন। সব কাগজের ব্যবহার একই হবে ধরে নেবেন না।

মেডিকেলের মেয়াদ ভ্রমণের পরিকল্পনাতেও প্রভাব ফেলতে পারে। পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশনায় সাধারণ পরিস্থিতিতে ছয় মাসের কথা আছে; কিছু স্বাস্থ্যগত কারণে মেয়াদ আরও কম হতে পারে। এর অর্থ ভিসা ইস্যুর পর সবাই নিশ্চিতভাবে ছয় মাস সময় পাবেন, এমন নয়। ভিসা হাতে পাওয়ার পর তাতে লেখা মেয়াদ ও নিজের কেসের নির্দেশনা দেখুন। অনুমান করে শেষ দিনের টিকিট কাটবেন না।

বাড়তি পরীক্ষা চাওয়া হলে হাসপাতালের নির্দেশনা মেনে চলুন। অতিরিক্ত পরীক্ষা মানেই ভিসা প্রত্যাখ্যান, এমন সিদ্ধান্তে যাবেন না। আবার মেডিকেল শেষ মানেই ভিসা নিশ্চিত, সেটিও নয়। কনস্যুলার কর্মকর্তা পুরো কেস দেখে ভিসার যোগ্যতা নির্ধারণ করেন। শুধু হাসপাতালের কাজ শেষ হয়েছে বলে চাকরি ছেড়ে দেওয়া বা ফেরত পাওয়া যাবে না এমন ভ্রমণব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নেবেন না।

৬. হাসপাতালে যাওয়ার আগে ছোট চেকলিস্ট

  • সাক্ষাৎকারের স্থান, তারিখ ও অনুমোদিত হাসপাতাল মিলিয়ে নিন।
  • প্রত্যেকের নাম ও প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র পরীক্ষা করুন।
  • টিকা ও প্রাসঙ্গিক চিকিৎসার কাগজ ব্যক্তি অনুযায়ী আলাদা রাখুন।
  • হাসপাতালের বর্তমান কাগজপত্র, পেমেন্ট ও উপস্থিতির নির্দেশনা নিশ্চিত করুন।
  • হারানো নথি বা চলমান চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন লিখে রাখুন।
  • রিপোর্ট কীভাবে দূতাবাসে যাবে এবং আপনাকে কী নিতে হবে বুঝে নিন।

পরীক্ষার পর দেখা করার তারিখ, বাড়তি কোনো নির্দেশনা এবং হাসপাতালের দেওয়া যোগাযোগের তথ্য রাখুন। পরে সাক্ষাৎকারের তারিখ বদলালে করণীয় জানতে যোগাযোগ করুন। নিজে থেকে আবার পরীক্ষা বুক করবেন না, আবার পুরোনো রিপোর্ট অবশ্যই চলবে এমনও ভাববেন না। আপনার কেসের জন্য কী প্রযোজ্য, সেটি নিশ্চিত করেই পরের পদক্ষেপ নিন।

সাধারণ প্রশ্নের উত্তর

সাক্ষাৎকারের অপেক্ষায় থাকতেই কি মেডিকেল করাতে পারি?

অপেক্ষার সময় নথি গুছিয়ে রাখুন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসার মেডিকেল করানোর আগে সাক্ষাৎকার নির্ধারিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। চিঠি ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

আমার পরিচিত হাসপাতালের রিপোর্ট দিলেই হবে?

নির্ধারিত পরীক্ষা অনুমোদিত panel physician-এর কাছে হতে হবে। পরিচিত হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা বা টিকার পুরোনো নথি নিতে পারেন, কিন্তু সেগুলো ভিসার মেডিকেলের বিকল্প নয়।

শিশুদের জন্যও কি আলাদা ব্যবস্থা করতে হবে?

ভিসার আবেদনকারী শিশুদেরও পরীক্ষা প্রয়োজন। পরিবারের বুকিং কীভাবে হবে এবং প্রত্যেক শিশুর কী লাগবে, অনুমোদিত হাসপাতালকে জিজ্ঞেস করুন। একজনের অ্যাপয়েন্টমেন্টে সবাই অন্তর্ভুক্ত আছে ধরে নেবেন না।

টিকার পুরোনো কাগজ খুঁজে না পেলে কী করব?

হাসপাতালকে জানান এবং যা আসল নথি আছে তা নিয়ে যান। প্রয়োজন চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন। ফাঁকা জায়গা পূরণ করতে অনুমান করা তারিখ বা যাচাইহীন সনদ ব্যবহার করবেন না।

মেডিকেল শেষ হলে কি ভিসা অনুমোদন হয়ে যায়?

না। মেডিকেল ও কনস্যুলার সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ার আলাদা অংশ। ভিসার অন্য শর্ত পূরণ করতে হবে এবং পরবর্তী কোনো নির্দেশনা থাকলে সেটিও অনুসরণ করতে হবে।

পুরো প্রক্রিয়া জানতে GVS-এর EB-3 সেবার তথ্য ও NVC নথির নির্দেশিকা দেখুন। সাক্ষাৎকারের নির্দেশনা ও কাগজের তালিকা গুছিয়ে নিতে সহায়তা চাইলে GVS-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। চিকিৎসার সিদ্ধান্ত অনুমোদিত চিকিৎসকের বিষয়; ব্যক্তিগত আইনি প্রশ্নে অভিবাসন আইনজীবীর পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।

সূত্র ও যাচাইয়ের তারিখ

যাচাই: ৩১ অক্টোবর ২০২৬। প্রকাশিত সরকারি নির্দেশনা, প্রস্তাবিত বিধি নয়। এটি সাধারণ প্রস্তুতির তথ্য, ব্যক্তিগত চিকিৎসা বা আইনি পরামর্শ নয়। দূতাবাস ও অনুমোদিত চিকিৎসকের বর্তমান নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

আপনার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আছে? পরের ধাপটি বুঝতে আমাদের টিম সাহায্য করবে।
WhatsApp